• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
  • English Version
শিরোনাম:
বগুড়া জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সিপারকে বিএনপি থেকে বহিস্কার বৃষ্টি সম্পর্কে বিস্ময়কর ১২টি তথ্য যা আপনি আগে হয়তো জানতেন না নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তুলতে মানবজাতিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে বহিরাগতদের কলেজে প্রবেশ নিষেধ খাদ্য নষ্ট ও অপচয় করা যাবে না : কৃষিমন্ত্রী দিবালোকে বোমা ফাটিয়ে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক বগুড়ায় পুকুরে নিখোঁজ স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার বিএনপির রাজনীতিতে চরম দুঃসময় চলছে : ওবাইদুল কাদের শিগগিরই আসছে এইচএসসি পরীক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত
Notice :
***শর্ত সাপেক্ষে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে সংবাদ২৪**আগ্রহীরা সিভি পাঠান এই ইমেইলেঃinfo@shangbad24.com

গত দুই মাসে একটি বিয়েও হয়নি বগুড়ায়

সংবাদ২৪ ডেস্ক
আপডেট বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০

গত দুই মাসে একটি বিয়েও হয়নি বগুড়ায়।শুধু তাই নয় স্বামী স্ত্রীর মধ্য মন মালিন্য হয়ে একটি তালাকের ঘটনাও ঘটেনি এ জেলায়। দেশ ব্যাপী করোনা আতঙ্কে ঝুলে আছে অনেক বিয়ে। কাজী অফিস গুলোতে অলস সময় পার করছেন কাজীরা।

গত দুইমাসে বগুড়া জেলায় ১৩৮টি কাজী অফিসে কোন বিয়ে রেজিষ্ট্রি অথবা তালাক নামার ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন বগুড়া জেলা মুসলিম ম্যারেজ রেজিষ্টার কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাও: মঞ্জুরুল ইসলাম।

তিনি জানান, করোনার কারনে বিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। বিয়ে মানে দাওযাত পর্ব। দাওয়াত পর্বে হয়ে থাকে জনসমাগম। করোনা সংক্রমনের ভয়ে কেউ ঝুঁকি নিতে সাহস করছেন না। বিয়ে বাড়িতে জনসমাগম হলে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর আশংকা থেকে থাকে।

কল্যান সমিতির এই নেতা আরও জানান, অনেক অভিভাবক তাদের পুত্র-কন্যার বিয়ে একধিকবার পরিবর্তন করেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে স্থগিত করার ঘটানাও ঘটেছে।

জেলা ম্যারেজ রেজিষ্টার অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১৩৮ টি ম্যারেজ রেজিস্টার অফিসে বছরে গড়ে ৩০০ টি বিয়ে হয়ে থাকে। কখনও এর চাইতে বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু কোভিড-১৯ তাদের ম্যারেজ রেজিষ্টারদের নিরাশ করেছে। প্রায় ২ মাস অঘেষিত লক ডাউনের কারনে তাদের ম্যারেজ রেজিষ্টার অফিস বন্ধ ছিল। এর পর ছুটি কিছুটা শিথিল করা হলেও কোন অভিভাবক বিয়ের সমাগমের ঝুঁকি নিতে সাহস করেননি। কিংবা স্বল্প পরিসরে বিয়ে রেজিস্ট্রির করতে কেউ সাহস করেননি।

এদিকে বিয়েতে বিশেষ ভূমিক রাখে রেন্টে কার। বিয়ের বহরে রেন্টে গাড়ী মাইক্রোবাস, কার, সংযোজিত হযে থাকে। বগুড়া রেন্টেকার মালিক সমিতির সহ-সভাপতি তৌফিকুল আলম বাদল জানান, বর এর গাড়ী ছাড়াও বর যাত্রীর সাথে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ টা গাড়ী নিয়ে থাকে। জেলায় রেন্টেকার মালিক সমিতির অধিনে প্রায় ২৫০ কার, মাইক্রোস আছে। করোনায় এখন তারা অলস সময় কাটাচ্ছেন।

করোনা ছাড়া অন্য সময়ে সপ্তাহের বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার বিয়ের জন্য প্রচুর গাড়ীর প্রয়োজন হয়। সে সময় কার, মাইক্রোবাসে সংকট দেখা দেয়। কিন্তু গত দুই মাস ধরে বগুড়া রেন্টেকারের গাড়ীর চাকা ঘোরেনি। বিয়ে বন্ধ রেন্টেকারও বন্ধ।

বগুড়া রেন্টে কার মালিক সমিতি সরকারের কাছে গাড়ীর কর্মহীন চালক ও কর্মচারিদের জন্য চেয়েছেন প্রনোদনা।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ