• মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
  • English Version
Notice :
***শর্ত সাপেক্ষে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে সংবাদ২৪**আগ্রহীরা সিভি পাঠান এই ইমেইলেঃinfo@shangbad24.com

বগুড়ায় অফিস দখল করা নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপ মুখোমুখি

সংবাদ২৪ ডেস্ক
আপডেট শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০

জেলা বিএনপি অফিস দখল করা নিয়ে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেয়ায় উত্তেজনা দেখা দেয় জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়ায় ।পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে কোন গ্রুপকেই অফিসে ঢুকতে দেয়া হয় নি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বহিস্কৃত গ্রুপের সাথে বর্তমান কমিটির নেতাদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার(২৯ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় বিএনপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বগুড়া জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর সিপার আল বখতিয়ারকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিস্কারের ঘোষনা দেয়া হয়। এই খবরে মঙ্গলবার রাত থেকে সিপার সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাতেই সিপার গ্রুপ বিএনপি অফিস দখল করার ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণায় সমর্থন জানায় এর আগে দল থেকে বহিস্কার হওয়া নেতা ও তাদের কর্মী সমর্থকরা।

এদিকে অফিস দখল করার খবর পেয়ে বুধবার বিকেলে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে কর্মী সভা আহবান করেন। ফলে উভয় গ্রুপের মধ্যে বুধবার দুপুরের পর থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বেলা তিনটার পর থেকে জেলা বিএনপি অফিসের সামনে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ। বিকেল ৪টার দিকে সিপার আল বখতিয়ারের পক্ষে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী শহরের মালতিনগর থেকে লাঠি মিছিল নিয়ে শহরের নবাবাড়ি সড়কে জেলা বিএনপি অফিসের দিকে রওনা হয়। পথিমধ্যে ডিসির বাংলোর সামনে থেকে পুলিশ তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়। বাঁধা পেয়ে তারা মালতিনগর বকশীবাজার মোড়ে ফিরে গিয়ে সেখানে বিক্ষোভ করে। সেখানে নেতা কর্মীরা বলেন কোন কারন দর্শানো নোটিশ ছাড়াই সিপার আল বখতিয়ারকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।তারা বলেন বিগত সময়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনে সিপার পরিক্ষিত নেতা। জেলা বিএনপির আহবায়ক ও বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ষড়যন্ত্র করে দলের দুঃসময়ে সিপারকে বহিস্কার করার পিছনে কাজ করেছেন।

সিপার আল বখতিয়ার বলেন, আমাদের কর্মসুচি সিরাজরএমপির বিরুদ্ধে। সংস্কার পন্থি নেতা সিরাজ দলকে ধ্বংসের যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি বলেন বহিস্কারকৃত সকল নেতাকে দলে না ফিরানো পর্যন্ত জেলা বিএনপি অফিসে কোন কর্মসুচি করতে দেয়া হবে না। বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, বিএনপির দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছিল। একারনে কোন পক্ষকেই অফিসে ঢুকতে দেয়া হয় নি। সহিংসতার আশংকায় অফিসে কর্মসুচি করতে নিষেধ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ