• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
  • English Version
শিরোনাম:
বগুড়া জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সিপারকে বিএনপি থেকে বহিস্কার বৃষ্টি সম্পর্কে বিস্ময়কর ১২টি তথ্য যা আপনি আগে হয়তো জানতেন না নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তুলতে মানবজাতিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে বহিরাগতদের কলেজে প্রবেশ নিষেধ খাদ্য নষ্ট ও অপচয় করা যাবে না : কৃষিমন্ত্রী দিবালোকে বোমা ফাটিয়ে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক বগুড়ায় পুকুরে নিখোঁজ স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার বিএনপির রাজনীতিতে চরম দুঃসময় চলছে : ওবাইদুল কাদের শিগগিরই আসছে এইচএসসি পরীক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত
Notice :
***শর্ত সাপেক্ষে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে সংবাদ২৪**আগ্রহীরা সিভি পাঠান এই ইমেইলেঃinfo@shangbad24.com

মাকে সাথে নিয়ে বাবাকে হত্যা করলো ছেলে

সংবাদ২৪ ডেস্ক
আপডেট শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

নিজের স্ত্রী আর সন্তানের হাতে খুন হওয়া বগুড়ার সোনাতলার কৃষক রফিকুলের খুনের রহস্য উন্মোচিত হলো অবশেষে। খুনের ১১ মাস পর হৃদয় বিদারক এক চাঞ্চল্য গল্পের সৃষ্টি করেছে এই হত্যা কান্ড। পরকিয়া মানুষকে কতটা নিচ বানাতে পারে তার বর্ননা দিয়েছেন পুলিশের হাতে আটক আসামীরা।

বগুড়ার শিবগঞ্জে

গত বছরের পহেলা জুলাই সোনাতলা থানায় একটি হারানো জিডি করা হয়। সেখানে জুন মাসের ১৫ তারিখ থেকে সোনাতলা সদর ইউনিয়নের রানিরপাড়া গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম (৪৭) নামক এক ব্যক্তি নিখোঁজ আছে মর্মে নিখোঁজ ব্যক্তির ভাই শফিকুল জিডিটি করেন।

তার পর মাসের পর মাস গেলেও খোঁজ মেলেনি তার ভাইয়ের।

 

অবশেষে ঘটনার প্রায় একবছর পর সহকারী পুলিশ সুপার (শিবগঞ্জ – সোনাতলা সার্কেল) কুদরত ই খুদার নেতৃত্বে গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার তেকানি চুকাইনগর এলাকার শাকিল মিয়া (২২) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বেড়িয়ে আসে হত্যাকান্ডের মূল হোতাদের নামের তালিকা। একে একে আটক করা হয় নিখোঁজ রফিকুলের স্ত্রী রেহানা, ছেলে জসিম ও স্ত্রীর গোপন প্রেমিক মুহিদুলকে।

এরপর শুরু হয় নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ।জিজ্ঞাসাবাদে তারা একপর্যায়ে স্বীকার করে মুহিদুল, রফিকুলের বউ রেহানা,ছেলে জসিম এবং রেহানার বোনের ছেলে শাকিল মিলে রফিকুলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা, ররফিকুলের লাশ বস্তায় ভরে বাড়ি থেকে প্রায় এককিলোমিটার দূরে বগুড়া সোনাতলা রেললাইনের পাশে প্রায় তিনফুট গর্ত করে পুঁতে রেখেছিলো এই হত্যাকারীরা।

বগুড়ার সোনাতলায়

আসামীদের স্বীকারোক্তি প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা জানান , পরকীয়া প্রেমের পথের বাধা সরাতেই রফিকুলকে মেরে ফেলার প্ল্যান করে রেহানা এবং মুহিদুল। ছেলেকে বাবার নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মানসিক ব্ল্যাকমেইল করে পক্ষে নিয়ে এসে পিতৃহত্যার মতো ঘৃণ্য কাজে জড়িত করে মা রেহানা। ঘটনাচক্রে শাকিল জড়িয়ে যায়। ঘটনার দিন মুহিদুল এবং জসিম ঘুমের বড়ি এনে রাতের খাবারের সাথে মিশিয়ে রফিকুলকে খাইয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন করিয়ে গলা টিপে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডে চারজনই সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। এরপর শাকিল, মুহিদুল এবং জসিম লাশ ঘাড়ে করে রেললাইনের পাশে নিয়ে পুঁতে রাখে।

অবশেষে শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞার উপস্থিতিতে পানির মধ্য থেকে গলিত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় আশেপাশের কয়েকগ্রামের কয়েক হাজার লোক জমায়েত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ